সারা বিশ্বে করোনা ছড়িয়ে মজায় আছে চিন! পার্টি, ফেস্টিভ্যাল, কনসার্ট হচ্ছে দেদার

আট মাস হতে চলল। করোনাভাইরাসের দাপটে বিশ্বের প্রায় সব দেশ জেরবার। কীভাবে এই উটকো বিপদের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে, সেই রাস্তা খুঁজছে প্রতিটি দেশের মানুষ। চিনের উহান প্রদেশ থেকে ছড়াতে শুরু করেছিল এই মারণ ভাইরাস। প্রাণঘাতী ভাইরাসের কোপে প্রাণ হারিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ।

এরই মধ্যে চিনের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। এমনকী, ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের আসল সংখ্যা জানাচ্ছে না চিন সরকার, এমন অভিযোগও করেছিল সেই দেশের সংবাদমাধ্যমের একাংশ। আমেরিকা অভিযোগ করেছিল, উহানের বায়ো ল্যাব থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়ানো হয়েছিল এই ভাইরাস। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে জিনপিংয়ের প্রশাসন।

তাদের সাফ দাবি, প্রাকৃতিকভাবেই সৃষ্টি হয়েছে করোনা। সারা বিশ্বে করোনা ছড়িয়ে চিন অবশ্য মজাতেই আছে। সেখানে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে পার্টি, কনসার্ট। লোকজন মাস্ক না পরেই সেইসব পার্টিতে মজছেন। এমনকী সোশ্যাল ডিসটেন্সিং-এর ধার ধারছেন না কেউ। হাজার হাজার মানুষ কনসার্ট বা ফেস্টিভ্যালে মেতে উঠছেন।

কয়েক মাস ভাইরাস ঠেকাতে যাবতীয় নিয়ম মেনেছেন চিনারা। তবে এখন আর সেসব মানতে নারাজ তারা। পুরনো ছন্দে ফিরেছে সেখানকার মানুষ। চিনের উহান সমেত বহু জায়গায় লোকজন পার্টিতে মজছেন। করোনার ভয় তাঁদের মন থেকে প্রায় উধাও হয়েছে বলা চলে। চিনের রাজধানী বেজিংয়ের লাগোয়া হেবেই-এর জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে সাত কোটি।

গত সপ্তাহেই সেখানে একট মিউজিকাল কনসার্ট আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে প্রায় চার হাজার লোকের জমায়েত হয়েছিল। সোশ্যাল ডিসটেন্সিং মানা হয়নি।চিনের পূর্ব দিকে শোডেং-এর কিংদা্ও শহরে র জনসংখ্যা ৯১ লাখ। গত সপ্তাহে সেখানে বিয়ার ফেস্টিভ্যাল আয়োজন করা হয়েছিল। তিন হাজারের বেশি লোক তাতে অংশ নিয়েছিলেন। ৯৫ শতাংশ মানুষের মুখে মাস্ক ছিল না।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রবেশ ছিল অবাধ। মাস্ক পরে আসার কোনও বাধ্যবাধকতা ছিল না। চিনের উহানের জনসংখ্যা এক কোটির বেশি। সেখানে লোকজন পাব, ক্লাবে পার্টিতে মজছেন। এমনকী দেদার পুল পার্টিও চলছে। আর সেইসব পার্টির ছবিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেদার শেয়ার হচ্ছে। লোকজন মাস্ক পরছে না। সোস্যাল ডিসটেন্সিং-এরও প্রশ্নই নেই।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

shares